সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৫

হোসেনি দালানের হামলায় নিহত কিশোর ছিল সুন্নি

 
    sajjad_hossain_sanju_killed_in_tajia_blast                 নিহত সানজুর ছবি হাতে তুলে ধরে দেখাচ্ছেন তার বাবা মোহাম্মদ নাসির                
 
ঢাকায় শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় হোসেনি দালানে হামলায় নিহত কিশোর সাজ্জাদ হোসেন সানজুর বাড়িতে এখনো স্তব্ধ তার পরিবার। শিয়াদের মিছিলে হামলা হলেও নিহত সাজ্জাদের পরিবার কিন্তু সুন্নি।
সপ্তম শ্রেনীতে পড়ত ১৫ বছর বয়সী সানজু। তার সহপাঠী, শিক্ষক ও পাড়া প্রতিবেশীরা রবিবারও সমবেদনা জানাতে বাড়িতে এসে ভিড় করেছেন।
তার পরিবার বলছে, হোসেনি দালানের ভেতরে এমন ঘটনা বাংলাদেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। এর পেছনে জড়িতদের বিচার না হলে তা হবে সরকারের ব্যর্থতা।
কর্তৃপক্ষ তাদের হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ করছে নিহত সাজ্জাদ হোসেন সানজুর পরিবার, যারা বসবাস করেন ঢাকার কাছেই কেরানিগঞ্জে।
কেরানিগঞ্জের শুভাঢ্যা এলাকায় যে বাড়িতে সানজুর পরিবারের বাস সেখানে গিয়ে দেখা গেলো মেঝের উপর গোল হয়ে বসে আছেন সবাই।
কোনও কথা নেই কারো মুখে। মা রাশেদা বলছিলেন পাচ ভাই দুবোনের মধ্যে সব চাইতে ছোট সানজু ক্রিকেট খেলা নিয়ে খুব আগ্রহী ছিল।
স্থানীয় চরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র ছিলো সানজু। কদিন ধরে স্কুলের ছুটি চলছিল। মা রাশেদা জানালেন কয়েকদিন ধরেই তাই সে তাজিয়ার মিছিলে যাবার ব্যাপারে খুব ইচ্ছা প্রকাশ করছিল।
বোমা হামলার ঘটনায় এই পরিবারের আরো তিন জন আহত হয়েছেন। সানজুর ভাবি সুমি বেগম তাদের একজন।
তিনি বলছিলেন, ঘটনার পর সানজুকে নিয়ে যখন হাসপাতালে ছুটছিলেন, তখন কারো সাহায্য পাননি তারা।
sanju_parents                 নিহত কিশোর সাজ্জাদ হোসেন সানজুর শোকস্তব্ধ নিকটজনরা                
মাত্র কদিন আগেই তোলা সানজুর একটি ফটোগ্রাফ হাতে নিয়ে ঘরের এক কোনায় বসে ছিলেন বাবা মোহাম্মদ নাসির। সেটি সবাইকে দেখাচ্ছিলেন তিনি।
মি নাসের বলছিলেন, তারা সুন্নি মুসলিম হলেও শিয়া সম্প্রদায়ের এই আয়োজনে নিয়মিত অংশ নিতেন।
হোসেনি দালানের ভেতরে ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনে এমন ঘটনাকে বাংলাদেশের জন্য এক দুর্ভাগ্য বলে অভিহিত করলেন মোহাম্মদ নাসির।
তিনি আরো বলছেন, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরে বিচারের আওতায় না আনা গেলে তা হবে সরকারের ব্যার্থতা।
ঘটনার পর থেকেই বারবার পুলিশ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ডাক পড়ছে এই পরিবারের সদস্যদের।
মি নাসির বলছেন, কর্তৃপক্ষের কেউ এখনও আসেননি তার বাড়িতে, বরং তাদেরকেই বারবার ডাকা হচ্ছে। অনেক রাত অবধি থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছে।
এই প্রতিবেদকের সামনেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ফোন পান মি. নাসির। তিনি বলছিলেন, ফোনে তাকে বলা হলো জাতীয় পরিচয় পত্র নিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসকের অফিসে যেতে।
“আমারে বলতেছে তাড়াতাড়ি আসেন নাইলে কিন্তু পাইবেন না। আমি জিজ্ঞেস করলাম কী পামু না। তখন ওরা বললো মুরুব্বি একটু আসেন তারপর কথা বলি। দ্যাখেন যার ছেলে হারায় তার তো এমনিতেই অবস্থা অন্য রকম থাকে। মনে করেন পুলিশ বা অন্যরা তারে নিয়া যদি টানা হেঁচড়া করেন, বারবার ডাকেন, পেরেশানি করেন, তাইলে তো ঐ মানুষটারে মাইরা ফালানের অবস্থা!”
এই বিষয়টিকে শোক সন্তপ্ত একটি পরিবারের জন্য চরম এক হয়রানি বলেও মনে করছেন তিনি।
তবে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখন কিছুই চান না সাজ্জাদ হোসেন সানজুর পরিবার। শুধু ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সনাক্ত করে বিচারের দাবি করছেন তারা।

ইরাক যুদ্ধের ফলেই আই এস-র উত্থান, কবুল ব্লেয়ারের

 
    tony_blair                 সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার     
           
সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, যিনি সাদ্দাম হোসেনকে উৎখাতে জর্জ বুশের প্রধান সঙ্গী ছিলেন, স্বীকার করেছেন ইরাকে সামরিক হামলার কারণেই ইসলামিক স্টেটের উদয় হয়েছে।
কিন্তু মার্কিন টিভি নেটওয়ার্ক সিএনএনের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ইরাক যুদ্ধের জন্য তিনি কোনও রকম অনুশোচনা বা দুঃখ প্রকাশ করেননি।
ইরাক যুদ্ধের পক্ষে সংসদের সমর্থন আদায় করতে তিনি মনগড়া তথ্য দিয়েছিলেন কি না, তা নিয়ে মি ব্লেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
ওই সাক্ষাৎকারে মি ব্লেয়ার বলেছেন, সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতা থেকে সরাতে যারা জড়িত ছিলেন ইরাকের আজকের পরিস্থিতির জন্যে তাদেরও কিছু দায়ভার আছে।
কারণ ‘যুদ্ধ শেষে পরিস্থিতি কোন দিকে যেতে পারে সে বিষয়ে তাদের বোঝার কিছু ভুল হয়েছিল’।
ইরাক যুদ্ধের কারণে ইসলামিক স্টেইটের উত্থান ঘটেছে বলে যে ধারণা করা হয় তার মধ্যে কিছু সত্যতা আছে বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।
তবে এবারেও তিনি যুদ্ধের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। বলেছেন, সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতা থেকে সরানোর মধ্যে দুঃখ প্রকাশের কিছু নেই।
ইরাক যুদ্ধে ব্রিটেনের অংশগ্রহণের ব্যাপারে যে তদন্ত চলছে, তার একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে টনি ব্লেয়ার মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিএনএনকে এসব কথা বলেন।
blair_in_iraq                 ইরাকের বসরা সফররত টনি ব্লেয়ার, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন                
ইরাক যুদ্ধের কারণেই জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেইটের উত্থান হয়েছে কি না এই প্রশ্নের জবাবে মি. ব্লেয়ার বলেন, ‘আমার মনে হয়, এখানে কিছু সত্যতা আছে। তবে আমি মনে করি এবিষয়ে আমাদেরকে খুব সতর্ক থাকতে হবে। তা নাহলে আজকের ইরাক ও সিরিয়াতে কি ঘটছে সেটা বুঝতে আমরা ভুল করবো।’
‘অবশ্যই আপনি বলতে পারেন না যে আমরা যারা ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়েছি, ২০১৫ সালের পরিস্থিতির জন্যে তাদের কোনো দায়ভার নেই।’
‘তবে এটাও মনে রাখা জরুরি,২০১১ সালে যে আরব বসন্ত শুরু হয়েছিলো, আজকের ইরাকের ওপর তার একই ধরনের প্রভাব পড়তে পারতো। আর দ্বিতীয় কথা হলো- আইসিসের পরিচিতি ইরাক থেকে নয়, সিরিয়া থেকেই তৈরি হয়েছে’, যোগ করেন মি ব্লেয়ার।
টনি ব্লেয়ার বলেন, তার নীতি ইরাকে কার্যকর হয়নি ঠিকই, একই সাথে যুদ্ধের পরে যে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তাতেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি।
তার মতে, যুদ্ধ না হলেও দেশটি আজকের সিরিয়ার মতোই গৃহযুদ্ধে ছিন্নভিন্ন হয়ে যেতো। তিনি বলেন, যুদ্ধের পর একটি সর্বদলীয় সরকার গঠনে আন্তর্জাতিক জোট ইরাককে সহযোগিতা করেছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে দেশটিতে ফিরে আসা স্থিতি নষ্ট হয়ে যায় গোষ্ঠীগত সংঘাতের কারণে, আর সেটা হয়েছে তৎকালীন ইরাকি সরকারের নীতি ও আরব বসন্তের কারণে।
বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন, মি. ব্লেয়ার এসব বিষয়ে আগেও দুঃখ প্রকাশ করেছেন কিন্তু যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তিনি কোনো দুঃখ প্রকাশ করেননি। bbc

ব্যাঙ্কে সোনার গয়না জমা রাখলে সুদ মিলবে ভারতে

    gold_jewellery
 
ভারতের ঘরে ঘরে যে বিপুল স্বর্ণালঙ্কার রক্ষিত আছে, অচিরেই তা ব্যাঙ্কে রেখে সুদ উপার্জন করার জন্য একটি প্রকল্প চালু হতে যাচ্ছে বলে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
তিনি রবিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া তাঁর মাসিক রেডিও ভাষণে বলেছেন, আগামী মাসে দীপাবলী উৎসবের আগে যে ধনতেরাসের সময় স্বর্ণ কেনাটা শুভ বলে মানা হয়, সে সময়ই ভারতে এই অভিনব প্রকল্প চালু হবে।
এই প্রকল্পের অধীনে ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা তাদের বাড়িতে পড়ে থাকা অলস স্বর্ণ ব্যাঙ্কে জমা রাখতে পারবেন – এবং তার বিনিময়ে সেই আমানতের ওপর সুদ পাবেন।
তবে জমা রাখা স্বর্ণের ন্যূনতম পরিমাণ হতে হবে অন্তত ৩০ গ্রাম, যার ফাইননেস হতে হবে ৯৯৫। এই স্বর্ণ মুদ্রা, অলঙ্কার, গোল্ডবার বা গোল্ড বিস্কুট – যে কোনও আকারেই হতে পারে।
এই প্রকল্পের অধীনে কেউ ইচ্ছেমতো পরিমাণ স্বর্ণ ব্যাঙ্কে জমা রাখতে পারেন – এর কোনও ঊর্ধ্বসীমা থাকছে না।
অনুমান করা হয় ভারতের কোটি কোটি পরিবার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে বিশ হাজার টনেরও বেশি স্বর্ণ মজুত আছে।
indian_prime_minister_narendra_modi                 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি                
কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের প্রায় পুরোটাই অলস পড়ে আছে, কোনও কাজে লাগছে না – অথচ বিপুল চাহিদার কারণে ভারতকে প্রতি বছরই শত শত কোটি ডলার মূল্যের স্বর্ণ আমদানি করতে হয়।
প্রধানমন্ত্রী মোদি আজ এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বলেছেন, ‘স্বর্ণকে একটা মৃত সম্পদ থেকে প্রাণবন্ত শক্তিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব। আমরা ঠিক সেটাই করতে চাইছি, আর সে কাজে আপনাদের সমর্থন চাইছি।’
এই প্রকল্পে গ্রাহকরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য স্বর্ণ ব্যাঙ্কে জমা রাখতে পারবেন। মেয়াদের শেষে স্বর্ণের তখনকার বাজারদর অনুযায়ী আসল ও সুদের পরিমাণ স্থির করা হবে।
আমানতকারী চাইলে তার আসল ও সুদ স্বর্ণের আকারে ফেরত পাবেন, অথবা সমপরিমাণ অর্থও তিনি নিতে পারবেন।
গত মাসেই ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এই প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে, এখন দীপাবলী উৎসবের আগে প্রকল্পটি চালু হলে তাতে কেমন সাড়া মেলে সে দিকে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা সাগ্রহে তাকিয়ে আছেন।

উত্তর কোরিয়ার ‘নৌযান লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া’

 
    korea yellow sea
                 সমুদ্রসীমা নিয়ে উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে
দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী দেশটির সমুদ্রসীমায় চলে আসা উত্তর কোরিয় নৌযান লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে বলে জানাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার সর্ববৃহৎ সংবাদ সংস্থা, ইয়োনহাপ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার কোরিয় সময় ১৫:৩০-এ (জিএমটি ০৬:৩০)উত্তর কোরিয়ার একটি টহল নৌকা সমুদ্রসীমা অতিক্রম করলে সেটি লক্ষ্য করে পাঁচটি গুলি ছোড়া হয়।
ইয়েলো সি-র সমুদ্রসীমা নিয়ে উত্তর কোরিয়া আপত্তি জানিয়ে আসছে এবং এর আগেও তারা সেই সীমা অতিক্রম করেছে।
গতবছরের অক্টোবরেও দুই দেশের জাহাজ ইয়নপিয়ং দ্বীপের কাছে গুলি বিনিময় করেছে।
এমন এক সময়ে ঘটনাটি ঘটলো যখন দুই দেশ ১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয় যুদ্ধে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া পরিবারগুলোর একটি পুনর্মিলন আয়োজন করছে।
গত পাঁচ বছরের মধ্যে এটি এধরণের দ্বিতীয় পুনর্মিলন। bbc

অভিবাসী ঠেকাতে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে বলকান দেশগুলো

 
    migrants                 ক্রোয়েশিয়ার সীমান্ত পেরিয়ে পায়ে হেটে এগুচ্ছে অভিবাসীরা   
             
অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ইউরোপের বলকান দেশগুলো।
এরই মধ্যে বুলগেরিয়া বলেছে যে, তারা অভিবাসীদের জন্য নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চায় না।
বলকানের উত্তরে অভিবাসীদের গন্তব্য দেশগুলো যদি তাদের দরজা বন্ধ করে দেয়, তাহলে সার্বিয়া এবং রোমানিয়াও এধরনের ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছে।
ব্রাসেলসে ইইউ সদস্য দেশ এবং বলকান দেশগুলোর মধ্যকার একটি বৈঠকের আগে এই হুমকি আসলো।
স্লোভেনিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোন সমাধান না আসলে তার দেশ ‘বেশি দেরি হবার আগেই নিজের মতো করে কাজ করবে’।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা বলছে, গত সপ্তাহে প্রতিদিন নয় হাজারেরও বেশি অভিবাসী গ্রীসে এসে পৌছেছে। এবছরের মধ্যে অভিবাসী আগমনের এটিই সর্বোচ্চ হার।
এই অভিবাসীদের অধিকাংশেরই গন্তব্য হচ্ছে জার্মানি, যাদের মধ্যে সিরিয়া, ইরাক এবং আফগানিস্তানের অনেক শরণার্থীরাও রয়েছেন। bbc

তাজিয়া হামলা: আবারো সতর্কবার্তা দিল যুক্তরাজ্য

    বিবিসি                       তাজিয়া মিছিলে হামলায় হতাহত এবং তাদের পরিবার      
          
বাংলাদেশে শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনার পর যুক্তরাজ্য তাদের নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা হালনাগাদ করে বাংলাদেশে ব্রিটিশ নাগরিকদের সাবধানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
শনিবার হালনাগাদ করে বিদেশিদের ওপর হামলা হতে পারে এমন কথা বলা হয়েছে সতর্কবার্তায়।
অস্ট্রেলিয়া তাদের সতর্কবার্তায় তাদের সব নাগরিক এবং কর্মীদের সাবধানে থাকতে বলেছে।
এর আগে দুইজন বিদেশী নাগরিকের হত্যাকাণ্ড নিয়ে বাংলাদেশ ভ্রমণে আগেই কয়েকটি বিদেশী রাষ্ট্রের সতর্কবার্তা ছিল।
নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পৃথিবীর সব বড় বড় সংবাদ মাধ্যমেই এ ঘটনাটি বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ হয়েছে।
আওয়ামী লীগের নেতারা এ ঘটনার জন্য বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীকে দায়ী করেছেন। অন্যদিকে, বিএনপি দোষারোপ বন্ধ করে, অপরাধীদের খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছে।
এদিকে তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয় নি।
শনিবার ঘটনাটি ঘটার পরই সেখানকার সিসিটিভি ও বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশনের ধারণ করা ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন হিসাবে তিনজনকে আটক করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, তবে এখনো কোন তথ্য তারা জানাতে পারেনি।
পুলিশের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বে কোন অবহেলা ছিল কি-না সেটি জানতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।
ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম থেকে যেসব বোমা উদ্ধার করা হয়েছিল, তার সঙ্গে এই বোমাগুলোর মিল রয়েছে। bbc

জেরুজালেমের পবিত্র স্থান নিয়ে ইসরায়েল এবং জর্ডানের সমঝোতা

kerry abbas

                     জর্ডানের রাজধানীতে ফিলিস্তিনী নেতা মাহমুদ আব্বাসের সাথে বৈঠক করেন জন কেরি
 
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, জেরুজালেমের একটি পবিত্র স্থানকে ঘিরে উত্তেজনা প্রশমনে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে জর্ডান এবং ইসরায়েল।
জর্ডানে একটি বৈঠক শেষে একথা জানান মি. কেরি।
মুসলিমদের কাছে হারাম আল-শরিফ এবং ইহুদিদের কাছে টেম্পল মাউন্ট হিসেবে পরিচিত স্থানটির আনুষ্ঠানিক তত্ত্বাবধায়ক জর্ডান।
ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনীদের মধ্যে সাম্প্রতিক সহিংসতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই স্থানটি।
মি. কেরি বলেন, সেখানে বর্তমান আইন বলবৎ রাখার প্রতিশ্রুতি পুন:নবায়ন করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েল আইনটি পরিবর্তন করতে চায় এমন একটি গুজবের প্রেক্ষিতে সম্প্রতি ঐ অঞ্চলে সহিংসতা বৃদ্ধি পায়। সাম্প্রতিক ছুরি এবং বন্দুক হামলায় অন্তত আটজন ইসরায়েলি নিহত হয়েছে এবং অনেকে আহত হয়েছে।
অন্যদিকে গত কয়েক সপ্তাহে কয়েকজন হামলাকারীসহ প্রায় ৫০ জন ফিলিস্তিনীও নিহত হয়েছে। bbc